নির্বাচন
নির্বাচনের দিন প্রাণ গেল ৭ জনের।   ছবি সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন পোলিং কর্মকর্তাসহ অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে, ভোট দিয়ে ফেরার পথে এবং কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। মৃত্যুকে ঘিরে কোথাও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগও রয়েছে।

খুলনায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মারা গেছেন মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচি (৬০)। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা সদরের কাচারিপাড়া এলাকায় সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সকালে অজ্ঞান হয়ে পড়েন ২ নম্বর বুথের পোলিং কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮)। পরে লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ভোট দেওয়ার জন্য বের হয়ে রাস্তায় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন অনাথ ঘোষ (৬৫) নামে এক ব্যক্তি। আজ সকালে উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের মাছিহারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম-৯ আসনের বাটালি রোডের কাজীর দেউড়ি পেয়ার মোহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে পড়েন মো. মনু মিয়া (৫৭)। পরে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আগানগর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় রাজ্জাক মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

মানিকগঞ্জে ভোট দিতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বাবু মিয়া (৭০) নামে এক ভোটার। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই ঘটনা ঘটে।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ভোট দিয়ে ফেরার পথে বাছের চৌধুরী (৬০) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে বড় কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ ছাড়াই একটানা ভোট চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোট হয়েছে। বেলা ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৩ হাজারের মধ্যে ৩৬ হাজার কেন্দ্রে ৪৮ শতাংশের মতো ভোট পড়ার তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।