অবশেষে দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম
অবশেষে দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম   ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকায়।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন এই দাম সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর হবে।

এর আগে মাত্র এক দিন আগেই স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে বাজুস ভরিতে এক লাফে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে এমন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও অসন্তোষ দেখা দেয়। তার পরদিনই আবার দাম কমানোর ঘোষণা এলো, যা বাজারে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরিয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ৬ বার দাম কমানো হয়েছে। অর্থাৎ, সার্বিকভাবে চলতি বছরেও স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাই বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত বছরের চিত্র আরও স্পষ্টভাবে এই প্রবণতা তুলে ধরে। ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়, আর বাকি সময়গুলোতে দাম কমানো হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ২৯ বার কমানো হয় বলে বাজুসের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।