ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার জেরে দেশের শেয়ারবাজারে আবারও বড় পতন দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে তীব্র পতনের পর এক দিনের উত্থান টিকল না। মঙ্গলবার লেনদেনের শেষ পর্যন্ত দরপতনই প্রাধান্য পেয়েছে।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩২৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে ৩৬ পয়েন্ট, আর ডিএসই-৩০ সূচক নেমেছে ৮৫ পয়েন্ট।
রোববার লেনদেন শুরুর পর ডিএসইএক্স একপর্যায়ে ২২৩ পয়েন্ট পর্যন্ত পড়ে যায়। দিন শেষে কমে ১৩৮ পয়েন্ট। পরদিন সোমবার সূচক ৭২ পয়েন্ট বাড়লেও সেই ধারাবাহিকতা থাকেনি। মঙ্গলবার শুরুতে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও আধাঘণ্টার মধ্যে বিক্রির চাপ বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বড় পতনেই লেনদেন শেষ হয়।
ডিএসইতে এদিন দাম বেড়েছে মাত্র ৩১টি প্রতিষ্ঠানের। বিপরীতে কমেছে ৩৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি। ভালো লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যেও বেশির ভাগের দর কমেছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রেও একই চিত্র।
তবে সূচকের বড় পতনের মধ্যেও লেনদেন বেড়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৮৫ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০৫ কোটি টাকার বেশি।
লেনদেনে শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির ৫৫ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে ছিল রবি, আর তৃতীয় স্থানে ওরিয়ন ইনফিউশন। লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় আরও ছিল ব্র্যাক ব্যাংক, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, যমুনা ব্যাংক ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।
অন্য বাজার সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৪১৪ পয়েন্ট। সেখানে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ঘিরে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। ফলে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা জোরদার হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!