ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, প্রতিবেশী কোনো দেশ থেকে ইরানের ওপর হামলা না চালানো হলে, ওই দেশগুলোতে আর আক্রমণ করা হবে না বলে গতকাল অনুমোদন দিয়েছে ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব পরিষদ। ইরানি গণমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান গত কয়েকদিনে প্রতিবেশী দেশগুলোতে চালানো হামলার জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, "ইরানের হামলার শিকার হওয়া প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে আমি ক্ষমা চাইছি।" তবে তেহরান কোনোভাবেই "আত্মসমর্পণ করবে না" বলেও দৃঢ়তার সাথে জানান তিনি।
তিনি বলেন, "ইরানি জনগণকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার যে স্বপ্ন শত্রুরা দেখছে, তা তাদের কবরে নিয়েই যেতে হবে।" নিজেদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে গত এক সপ্তাহ ধরে ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। এসব হামলা দুবাই, আবুধাবি, কাতার, কুয়েত এবং বাহরাইনসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে এসব হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে।
পারমাণবিক আলোচনা থমকে যাওয়ার পর এবং ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে—এমন দাবির প্রেক্ষিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে সমন্বিত বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। 'অপারেশন এপিক ফিউরি' নামের এই সামরিক অভিযানে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বেশ কয়েকটি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ হামলায় তেহরানে নিজ বাসভবনে (কম্পাউন্ডে) অবস্থানকালে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ওই হামলায় তার সাথে তার মেয়ে, জামাতা এবং নাতনিও প্রাণ হারান। এছাড়া, হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ।
সূত্র : আল জাজিরা ও এনডিটিভি
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!