ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় জ্বলছে তেহরানের মেহরাবাদ বিমান বন্দর   ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানের ১৩৩২ জন নিহত হওয়ার বিষয়ে জানা গেছে। আবাসিক এলাকার ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন মাধ্যমের খবর থেকে জানা যায় যে— হাসপাতাল, স্কুল এবং এমনকি পার্কিং লটেও (গাড়ি রাখার জায়গা) হামলা চালানো হয়েছে।

একটি ঘটনায় 'পুলিশ পার্ক' নামের একটি পার্কেও আঘাত হানা হয়েছে। এটি থেকে স্পষ্ট যে, এখন হামলার পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের খবরের ভিত্তিতে জানা গেছে, রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এখন জানিয়েছে যে, রাতে চালানো ওই হামলায় তাদের ৮০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল এবং তারা "বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায়" ২৩০টি বোমা ফেলেছে।

সামরিক বাহিনীর মতে, এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আইআরজিসির (IRGC) একটি সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়, লঞ্চিং অবকাঠামো (ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কাঠামো) সংবলিত একটি গুদাম এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল সংরক্ষণ ও তৈরির একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ছিল। তবে বিবৃতিতে এসব স্থাপনার অবস্থান বা সুনির্দিষ্ট জায়গার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর তথ্যমতে, শনিবার ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইসফাহান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক প্রাদেশিক কর্মকর্তা। ইসফাহান প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয়ের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা আকবর সালেহি বলেন, "এসব সন্ত্রাসী হামলায় এক নারীসহ আটজন নাগরিক শহীদ হয়েছেন।"

সালেহি আরও বলেন, "আমেরিকা এবং জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর (ইসরায়েল) যুদ্ধবিমানগুলো ইসফাহান শহরের পাশাপাশি প্রদেশের আরও সাতটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে।" তিনি জানান, এসব হামলায় ইসফাহান শহরের পাশাপাশি লেঞ্জান ও বোরখার এলাকার "৮০টি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।"