রমজানে সুস্থ থাকতে সাহ্‌রি ও ইফতারে সুষম খাবারের গুরুত্ব।
রমজানে সুস্থ থাকতে সাহ্‌রি ও ইফতারে সুষম খাবারের গুরুত্ব।   ছবি: সংগৃহীত

সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র রমজান। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরের সঠিক পুষ্টি ও শক্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সুষম খাদ্যতালিকা। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আনলে রমজানের মাসটি হবে আরও প্রশান্তিময় ও স্বাস্থ্যকর। রমজানে সুস্থ থাকার কিছু অপরিহার্য টিপস এখানে তুলে ধরা হলো:

সাহ্‌রি

সুস্থ থাকতে সাহ্‌রি কখনো বাদ দেওয়া উচিত নয়। রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে যতটা সম্ভব দেরিতে সাহ্‌রি খাওয়া ভালো।

শর্করা: দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাল আটার রুটি, ব্রাউন রাইস বা ওটসের মতো ‘কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট’ বেছে নিন।

প্রোটিন ও আঁশ: খাবারের তালিকায় ডিম, মাছ বা ডালের মতো পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং প্রচুর আঁশযুক্ত সবজি রাখুন। এটি শরীরকে দীর্ঘক্ষণ কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করবে।

ইফতার

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার হওয়া উচিত হালকা ও পুষ্টিকর।

শুরুটা হোক স্বাস্থ্যকর: ইফতার শুরু করুন খেজুর ও পানি দিয়ে।

পানীয়: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা বাজারের রঙিন পানীয়র পরিবর্তে লেবুপানি বা চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস পান করুন।

ভাজাপোড়া বর্জন: বেগুনি, পেঁয়াজু বা আলুর চপ পরিপাকতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তাই এগুলো কমিয়ে সালাদ ও পুষ্টিকর ফলের দিকে নজর দিন।

হাইড্রেশন

দীর্ঘ সময়ের পানিশূন্যতা রোধে ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত অন্তত ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। তবে একবারে বেশি পানি না খেয়ে বিরতি দিয়ে অল্প অল্প করে পান করা বেশি কার্যকর। এছাড়া ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় (চা-কফি) এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষ সতর্কতা

যাঁরা নিয়মিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার জন্য ওষুধ সেবন করেন, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের সময়সূচি পরিবর্তন করে নিন। সঠিক নিয়ম মেনে খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে শারীরিক দুর্বলতা এড়িয়ে সুস্থভাবে ইবাদত  করা সম্ভব।

এমআর/আরটিএনএন