বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নিরাপত্তা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ—এই তিনটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা জানান ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভারস আইজাবস।
তিনি বলেন, নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছেন, নারী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীসহ সব নাগরিকের অংশগ্রহণ কতটা নিশ্চিত হচ্ছে এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা রয়েছে কি না—এসব বিষয় ইইউ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। ইইউ এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইভারস আইজাবস জানান, ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পদ্ধতিতে কাজ করে এবং তাদের ভূমিকা কেবল পর্যবেক্ষণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া বা হস্তক্ষেপ করা তাদের কাজ নয়।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের পরপরই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ইইউ তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এরপর প্রায় দুই মাস পর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।
এক মাস আগে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাচনী প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করছেন। খুব শিগগিরই ইউরোপ থেকে আরও প্রায় ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসবেন, যারা নির্বাচনের শেষ সময়ের প্রচার কার্যক্রম ও ভোটগণনা পর্যবেক্ষণ করবেন।
এ নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও কানাডার পর্যবেক্ষকরাও অংশ নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
ইভারস আইজাবস বলেন, নির্বাচন আয়োজন ও পরিচালনা বাংলাদেশের নাগরিকদের নিজস্ব বিষয়। এতে কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে ইইউ বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় এবং সে ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!