ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে শাপলা প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম এগিয়ে রয়েছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পাওয়া বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন।
রাজনগর কেন্দ্রের ফলাফলে শাপলা প্রতীকের সারজিস আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭৫ ভোট। একই কেন্দ্রে ধান প্রতীকের নওশাদ পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট। অটোয়ারী সরকারি গার্লস কেন্দ্রে সারজিস আলম পেয়েছেন ৯৫৪ ভোট এবং নওশাদ পেয়েছেন ৭৬৮ ভোট।
পঞ্চগড় পৌরসভা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফলাফলেও সারজিস আলম এগিয়ে আছেন। সেখানে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭৫ ভোট, আর নওশাদ পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট।
শিংপাড়া কেন্দ্রে শাপলা প্রতীকের সারজিস আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৬০০ ভোট এবং ধান প্রতীকের নওশাদ পেয়েছেন ১ হাজার ২০০ ভোট।
তেঁতুলিয়ার কালান্দি গঞ্জ কেন্দ্রেও সারজিস আলম এগিয়ে রয়েছেন। সেখানে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৪০০ ভোট, আর নওশাদ পেয়েছেন ৮০০ ভোট। তবে এগুলো বেসরকারি ফলাফল। চূড়ান্ত ফলাফল জানতে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শুরু হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায়। দেশের ২৯৯টি আসনে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এখন চলছে গণনার কাজ।
তবে শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। নতুন তফসিল অনুযায়ী ওই আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, গণনার সময় প্রথমে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। এরপর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পৃথকভাবে দুই ধরনের ব্যালট গণনা করবেন।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার এক হাজার ২৩২ জন।
ভোটের দিন সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। কোথাও কেন্দ্র দখল ও জালভোটের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। কিছু জায়গায় হামলা, সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় কয়েকজন আহত হন। খুলনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে এক বিএনপি নেতা অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর মোতায়েনের কারণে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। কোথাও ভোটগ্রহণ পুরোপুরি স্থগিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!