আইসিসি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল,
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল।   ফাইল ছবি

ইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর দুই দিন সময়ও বাকি নেই। ২০ দলের এই বৈশ্বিক আসরকে ঘিরে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে নাটকীয়তার রেশ এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই পর্দা নামতে যাচ্ছে আইসিসির আরেকটি বৈশ্বিক ইভেন্ট অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের। আসরের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল। 

জিম্বাবুয়ের হারারেতে আগামীকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল। শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ডের যুবারা। বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন মাসুদুর রহমান মুকুল, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আম্পায়ারিংয়ের জন্য আরেকটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইসিসির ঘোষিত ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা অনুযায়ী, ফাইনালে অনফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন লুবাবালো গকুমা ও শন হেইগ। তৃতীয় আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন জাহিদ বাসারাথ এবং চতুর্থ আম্পায়ারের দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশের মাসুদুর রহমান মুকুল। এ ছাড়া ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন গ্রায়েম লা ব্রুই।

এর আগে চলমান যুব বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতেও দায়িত্ব পালন করেছেন মুকুল। ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচে তিনি চতুর্থ আম্পায়ারের ভূমিকায় ছিলেন। পাশাপাশি এই আসরে মোট চারটি ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন আইসিসির আন্তর্জাতিক প্যানেলভুক্ত এই বাংলাদেশি আম্পায়ার।

পরিসংখ্যানের দিক থেকেও এবারের ফাইনাল ম্যাচটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এ নিয়ে টানা ছয়বার এবং সব মিলিয়ে দশমবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ভারত, যারা রেকর্ড পাঁচবারের শিরোপাজয়ী। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের যুবারা এর আগে কেবল একবারই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড।

আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইভেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশের আম্পায়ারের দায়িত্ব পাওয়া দেশের ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশি ম্যাচ অফিসিয়ালদের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।