দুর্বার একাদশ
শেষ ওভারের তিন বল বাকি থাকতেই দুই উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্য পূরণ করে দুর্বার।   ছবি: সংগৃহীত

একের পর এক উইকেট হারিয়েও হার মানেননি নুরুল হাসান সোহান। শেষ দুই ওভারে যখন দরকার ছিল ৩৩ রান—তখন প্রায় অসম্ভব এক লড়াইয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নাটকীয় জয় তুলে নেয় দুর্বার একাদশ।

শুক্রবার রাতে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের রোমাঞ্চকর ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ধূমকেতু ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৫৬ রান। জবাবে শেষ ওভারের তিন বল বাকি থাকতেই দুই উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্য পূরণ করে দুর্বার।

ধূমকেতুর ইনিংস শুরুটা ছিল নড়বড়ে। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম কোনো রান না করেই ফিরে যান। আরেক ওপেনার সাইফ হাসান করেন ২০ বলে ২৮ রান। পারভেজ হোসেন ইমন (১৩) ও তাওহীদ হৃদয় (৭) বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।

মাঝখানে দলকে টানেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। তিনি খেলেন দলের সর্বোচ্চ ৪৩ রানের ইনিংস। শেখ মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। এছাড়া শামীম ১৭, নাসুম ৯ ও শরিফুল ১ রান করেন।

১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্বার একাদশ শুরুতেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে। শরিফুল ইসলামের করা প্রথম ওভারে ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান তোলেন ১৪ রান। তবে পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। শান্ত ২, হাবিবুর ১৭ ও আফিফ ১ রানে আউট হন।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন নুরুল হাসান সোহান। শেষ দুই ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। শরিফুল ইসলামের করা ১৯তম ওভারে তিনটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে একাই তোলেন ২৬ রান। ফলে শেষ ওভারে প্রয়োজন দাঁড়ায় মাত্র ৭ রান, যা তিন বলেই তুলে নেয় দুর্বার।

৭৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন সোহান। এছাড়া সাইফউদ্দিন করেন ১৯, জাকের আলী ১১ ও হাসান মাহমুদ ৪ রান। তার দুর্দান্ত লড়াইয়েই অবিশ্বাস্য জয় উদ্‌যাপন করে দুর্বার একাদশ।