বাগেরহাটের শরণখোলায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি কর্মী আরিফুল ইসলাম মারা গেছেন। রোববার রাত সাড়ে দশটায় উপজেলার খুড়িয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরিফুল ইসলাম মাসুম উপজেলার খুড়িয়াখালি গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি বিএনপি কর্মী ছিলেন।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে। তদন্তের স্বার্থে আটককৃতদের নাম-ঠিকানা জানানো হয়নি।
এ ঘটনায় জামায়াতে কর্মীদের দায়ী করেছেন স্বজনরা।
শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন মিলন জানান, নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা ছাত্রদল কর্মীদের ঘরের মধ্যে আটক করে নির্মমভাবে পিটিয়েছে। আহত অবস্থায় আরিফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন বলেন, তারাবির নামাজের পরে মাসুমকে জামায়াতের কর্মীরা মারধর করে আটকে রেখেছে এমন খবর পাই। পরে স্থানীয় তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও স্থানীয় সাউথখালী ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে যাওয়ার পর অসুস্থ অবস্থায় মাসুমকে দুই -তিন জন ধরে আমাদের কাছে নিয়ে আসে। তার কাছে ঘটনা জানতে চাইলে হঠাৎ বমি করে। তাৎক্ষণিক শরনখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এক পর্যায়ে তাকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের পূর্বে ও পরবর্তীতে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।
বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, রাতের মধ্যেই হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে আগামী দিন বিক্ষোভ মিছিলসহ কঠিন কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে ।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সামিনুল হক জানান, একটি হামলার খবর জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আজ বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। প্রকৃত ঘটনা উদঘটনের মধ্য দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!