পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় লোহালিয়া নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও তরমুজবোঝাই ট্রলারের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় তিনটার দিকে বগা লঞ্চঘাটসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট লঞ্চ আওলাদ-৭-এর রুট পারমিট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
ঢাকা–পটুয়াখালী নৌপথে চলাচলকারী বহুতল যাত্রীবাহী লঞ্চ আওলাদ-৭-এর সঙ্গে সংঘর্ষে তরমুজবোঝাই একটি ট্রলার ডুবে যায়। ট্রলারটিতে প্রায় ৪০০ তরমুজ ছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন— রাঙ্গাবালী উপজেলার চরবেস্টিন গ্রামের আলী ফকিরের ছেলে নাসির ফকির (৩৬) এবং নলুয়া গ্রামের আজাদ হাওলাদারের ছেলে রেজাউল হাওলাদার (৩৫)। আহত দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ট্রলারটিতে ছয়জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন কেবিনে অবস্থান করছিলেন। সংঘর্ষের পর কেবিনে থাকা একজন বের হতে পারলেও অন্য দুজন ভেতরে আটকা পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শী জেলে মো. ইউনুস মিয়া বলেন, হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তারা নদীর দিকে তাকান। পরে দেখেন ট্রলারটি দ্রুত ডুবে যাচ্ছে। আশপাশের জেলেরা এগিয়ে গিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করলেও কেবিনে আটকে পড়া দুজনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, রাতে বড় লঞ্চ চলাচলের সময় ছোট ট্রলারগুলো বেশি ঝুঁকিতে থাকে। এ এলাকায় নৌনিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তিনি।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে সহায়তা করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি সদর দপ্তরে জানানো হলে তাৎক্ষণিকভাবে আওলাদ-৭ লঞ্চের রুট পারমিট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লঞ্চটির চলাচল বন্ধ থাকবে। তিনি আরও জানান, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিকল্প লঞ্চে তাদের বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!