বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের ২৪৫টি সিনেমা ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হবে
বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের ২৪৫টি সিনেমা ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হবে।   ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের ২৪৫টি সিনেমা ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হবে। শনিবার পর্দা উঠেছে উৎসবের,যা চলবে ১৮ জানুয়ারী পর্যন্ত। উৎসবের চব্বিশতম এ আসরে দেখা যাবে অনেকগুলো বাংলা সিনেমা। 

এবারের আয়োজনে বাংলাদেশের মোট ১৫টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা দেখানো হবে। আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশীয় চলচ্চিত্রকে তুলে ধরতে আলাদা ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ সেকশন হিসেবে থাকছে । এই বিভাগে দেখানো হবে মোট ৯টি বাংলাদেশি সিনেমা।

উৎসবের প্রথম দিন জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭টায় দেখানো হয় অরুণ চৌধুরী পরিচালিত ‘জলে জ্বলে তারা’ সিনেমাটি। ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৫টায় জাদুঘরের মূল হলে দেখা যাবে এবিএম নাজমুল হুদার ‘ম্রো রূপকথা’। এ ছাড়া এই হলে বড়ুয়া সুনন্দার ‘ডট’, সবুজ খানের ‘বেহুলা দরদী’ ও রাইসুল ইসলামের ‘বিশ্বাস করেন ভাই’ সিনেমাগুলো দেখানো হবে।

বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগের মাধ্যমে দ্বিতীয় দিন (১১জানুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭টায় দেখানো হয় তানিম নূর পরিচালিত ‘উৎসব’।

তৃতীয় দিন (১২ জানুয়ারি ) সন্ধ্যা ৭টায় একই স্থানে দেখানো হবে সোহেল রানা বয়াতি পরিচালিত ‘নয়া মানুষ’।

পঞ্চম দিন (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় একই স্থানে দেখানো হবে জ্যাক মীরের ‘দ্য স্টোরি অব আ রক’। 
ষষ্ঠ দিন (১৪জানুয়ারি) সুমন ধর পরিচালিত ‘আগন্তুক’। 
সপ্তম দিনে (১৫ জানুয়ারি) অনন্য প্রতীকের ‘নয়া নোট’। 
অষ্টম দিন (১৬ জানুয়ারি) একই সময় ও স্থানে মনিরুল হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখারপুল’। 
নবম দিন (১৭ জানুয়ারি) জাহিদুর রহমানের ‘উড়াল’ সিনেমাটি দেখানো হবে। 

এই বিভাগে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে আহমেদ হাসান পরিচালিত ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’। উৎসবের অষ্টম দিন (১৬ জানুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭টায় দেখানো হবে। এই সিনেমাটি চলতি মাসের ১৬ তারিখ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে।

এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিনেমা নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বিভাগ। ৪৯টি চলচ্চিত্র এই শাখায় দেখানো হবে । এর মধ্যে দুটি সিনেমা বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত হয়েছে । আবদুস সামাদ পরিচালিত ‘শ্রাবণ জোৎস্নায়’ এবং শেখ আল মামুনের ‘ড্রেইনড ড্রিম’। 


এমআর/আরটিএনএন