যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অধীনে গাজা থেকে ইসরায়েল আদৌ তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রে (স্যাটেলাইট ইমেজ) দেখা গেছে, গাজার ৫০ শতাংশেরও বেশি এলাকা বর্তমানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী একাধিকবার তাদের ‘ইয়েলো ডিমার্কেশন লাইন’ বা হলুদ সীমানা রেখার অবস্থান পরিবর্তন করেছে। এর ফলে তারা গাজার আরও বেশি ভূখণ্ড নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ অনুযায়ী, দখলকৃত এসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সরে গিয়ে তাদের পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে ভিন্ন ইঙ্গিত মিলছে।
ইসরায়েলি সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তারা বারবার সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে কঠিন শর্তের সাথে জুড়ে দিচ্ছেন। তারা স্পষ্ট করে বলছেন, গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে সর্বশেষ ইসরায়েলি মরদেহটি ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তারা এসব এলাকা থেকে সরবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলকে ওই এলাকাগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহারে কতটা রাজি করাতে পারবে, তা এখনো দেখার বিষয়। বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে মতবিরোধ নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যস্থতাকারীদের এখনো বেশ কিছু জটিল অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এদিকে, গাজার সাধারণ মানুষ এখনো ইসরায়েলি হামলার হুমকির মুখে দিন কাটাচ্ছে। চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন এবং গাজার পুনর্গঠন ও সেনা প্রত্যাহার নিয়ে ইসরায়েলি পক্ষের ক্রমাগত উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের সফলতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও হতাশা দানা বাঁধছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!