ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে ভূমিধসে  মারা গেছেন অন্তত ৭ জন।
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে ভূমিধসে  মারা গেছেন অন্তত ৭ জন।   ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে ভূমিধসে  মারা গেছেন অন্তত ৭ জন। নিখোঁজ রয়েছেন ৮২ জন। তথ্যটি জানান দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরের দিকে পশ্চিম বান্দুংয়ের পাসিরলাঙ্গু গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। খবরটি জানায় আল-জাজিরা। 

দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেন, নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি। আজ আমরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম সর্বোচ্চভাবে চালানোর চেষ্টা করবো।

কম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাউন্ট বুরাংরাংয়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোত ও আলগা মাটি প্রায় ৩০টি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে, যখন অধিকাংশ বাসিন্দা ঘুমিয়ে ছিলেন। কম্পাস আরও জানায়, নিহত ও আহতের সংখ্যা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া এখনও চলমান এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী বৃষ্টিতে এলাকাটি প্লাবিত ছিল।

দুর্ঘটনার আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কম্পাসের মতে, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা প্রায় ৩০ হেক্টর (৭৪ একর) জুড়ে বিস্তৃত।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিসহ চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল।

জাকার্তাভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানায়, চিতারুম ও চিবিত নদীর পানি উপচে পড়ায় পশ্চিম জাভার কারাওয়াং জেলার ৩০টি উপ-জেলার মধ্যে ২০টিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। আন্তারার প্রতিবেদনে বলা হয়, নদীর কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দাদের দ্রুত সরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়। আন্তারা আরও জানায়, দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির মধ্যে পূর্ব জাকার্তায় বন্যার কারণে শত শত মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

গেল ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা, পশ্চিম সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় এক হাজার ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান।

এমআর/আরটিএনএন