যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো হামলায় ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুখপাত্র মোজতবা খালেদি বলেছেন, ‘‘এখন পর্যন্ত ২০টিরও বেশি প্রদেশ হামলার শিকার হয়েছে।’’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানে ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার সঙ্গে জড়িত সব স্থাপনা এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর ‘‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’’ পরিণত হবে।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সেই সব স্থানকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে, যেখান থেকে মার্কিন ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সব স্থাপনাও আমাদের লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত।
এদিকে, দক্ষিণ ইরানে একটি স্কুলে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন খবর দিয়েছে। দেশটির মিনাব কাউন্টির গভর্নর বলেছেন, আজ সকালে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৫১ জন শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ৬০ জন আহত হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলা ছায়াযুদ্ধ সরাসরি সংঘাতে রূপ নিয়েছে। শনিবারের এই বড় ধরনের হামলার পর ইরান বলেছে, তারা হামলার কঠোর জবাব দেবে।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং তারা কেবল ইসরায়েল নয়, বরং হামলায় সহায়তাকারী মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!