ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান হোসেন কেরমানপুর জানিয়েছেন, রবিবার ইরানের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ১৮০ জন শিশু নিহত হয়েছে। তিনি আরও জানান, এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তেহরানের গান্ধী হাসপাতালেও ঠিক ‘একই ধরনের’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছিল।
এই জঘন্য হামলার নিন্দা জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, "ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনটি দক্ষিণ ইরানের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়। দিনের বেলায় যখন স্কুলটি ছোট ছোট ছাত্রীদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ ছিল, ঠিক তখনই সেখানে বোমা হামলা চালানো হয়। শুধুমাত্র এই এক জায়গাতেই ডজন ডজন নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত এসব অপরাধের জবাব আমরা অবশ্যই দেব।"
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই হামলাগুলোকে ‘আগাম সতর্কতামূলক’ (pre-emptive) পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে। শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় তেহরানসহ বেশ কয়েকটি এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম সূত্রগুলোর বরাতে জানিয়েছে, "ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন।"
ইরানে চালানো এই হামলাকে ‘অপারেশন লায়নস রোর’ বা ‘সিংহের গর্জন’ নাম দিয়েছে ইসরায়েল। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, "তেহরান পারমাণবিক বোমা তৈরি এবং ইসরায়েলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে বিশাল সম্পদ বিনিয়োগ করেছে।"
সূত্র : আল জাজিরা ও এনডিটিভি
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!