ইরান, ট্রাম্প, খোমেনি, ইসরায়েল
দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে একটি আঘাত হানতে সক্ষম হয় আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে   ছবি: সংগৃহীত

কাতারের রাজধানী দোহায় (০৬ মার্চ) ভোরের  দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আরও একদফা প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। মূলত ইরান থেকে ধেয়ে আসা ড্রোনগুলো আকাশেই ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করার কারণেই এই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি।

সংঘাতের পঞ্চম দিনেও ঘাঁটিটি লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে দেখা যায়, যার মধ্যে একটি আঘাত হানতে সক্ষম হয় এবং অপরটি আকাশেই ধ্বংস করা হয়। এসব হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো ধারণা এখনও পাওয়া যায়নি। বর্তমানে কাতারের এসব স্পর্শকাতর এলাকার চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আমরা এখন ইরানের হামলার একটি নির্দিষ্ট কৌশল বা ধরন (প্যাটার্ন) দেখতে পাচ্ছি। কেবল দোহাতেই নয়, বরং পুরো জিসিসি (উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ) অঞ্চলজুড়েই মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সহজ বা অরক্ষিত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে (সফট টার্গেট) আঘাত হানার চেষ্টা করছে তারা।

পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, কোনো হামলা লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও তারা প্রতিদিন এই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন প্রধান উদ্বেগের বিষয় হলো— আগামী কয়েক ঘণ্টা ও দিনগুলোতে কাতারের ওপর এই হামলা চলতেই থাকবে; হয়তো হামলার তীব্রতা বা পরিমাণ আগের মতো থাকবে না, কিন্তু তা ধারাবাহিকভাবে চলতে পারে।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই