গত সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে যুব নেতৃত্বাধীন এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি সরকারের পতন ঘটে। সেই রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে ৭৭ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।
ঘটনার পর, ৩৫ বছর বয়সী র্যাপার থেকে রাজনীতিতে পা রাখা বালেন্দ্র শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখো অনুসারীর উদ্দেশে একটি বার্তা পোস্ট করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, প্রিয় জেন-জি, তোমাদের হত্যাকারীর পদত্যাগ এসে গেছে। এখন তোমাদের প্রজন্মকেই দেশকে নেতৃত্ব দিতে হবে। প্রস্তুত হও।
পাঁচ মাস পর, বালেন্দ্র শাহ এখন নেপালের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছেন। শাহের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) প্রায় ১১০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, যা তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় অনেক বেশি।
নেপালের ২৭৫ আসনের সংসদে ১৬৫টি আসন সরাসরি ভোটে নির্ধারিত হয় এবং ১১০টি আসন নির্ধারিত হয় আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে। চূড়ান্ত ফলাফল কয়েক দিনের মধ্যেই ঘোষণা করা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালি কংগ্রেস ইতোমধ্যেই পরাজয় স্বীকার করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আরএসপি সরকার গঠনের পথে অনেকটাই এগিয়ে।
কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক বিপিন অধিকারী বলেন, বালেন্দ্র শাহ এতটাই জনপ্রিয় যে কাঠমান্ডু শহরে আসা অনেক বাসে স্টিকার লাগানো দেখা যাচ্ছে যেখানে লেখা, ‘বালেনের শহরের পথে’। এই জনপ্রিয়তা নির্বাচনে তার দলকে এগিয়ে রেখেছে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৬০ শতাংশের মতো ছিল। নেপালের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পূর্বের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম হয়েছে।
বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে আরএসপি যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়, তবে এটি নেপালের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে যুব নেতৃত্বের উত্থান এবং নতুন প্রজন্মের প্রভাবকে আরও দৃঢ় করবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!