যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের কিছু সাক্ষাৎকার নথি প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে এক অজ্ঞাতনামা নারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিশোর বয়সে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন। বহুল আলোচিত যৌন পাচার মামলার আসামি জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে তদন্তের অংশ হিসেবে নেয়া সাক্ষাৎকারের সারসংক্ষেপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ২০১৯ সালে এফবিআই ওই নারীর চারবার সাক্ষাৎকার নিয়েছিল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ একটি তালিকা প্রকাশ করে সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও চারটির মধ্যে কেবল একটি সাক্ষাৎকারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রকাশ করেছিল। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিশোরী বয়সে এপস্টেইন তার ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছিলেন।
নতুন প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, ১৯৮০–এর দশকে নিউইয়র্ক বা নিউ জার্সিতে এপস্টেইন ওই নারীর সঙ্গে ট্রাম্পের পরিচয় করিয়ে দেন। সে সময় তার বয়স ছিল আনুমানিক ১৩ থেকে ১৫ বছর। ওই নারী অভিযোগ করেন, সাক্ষাতের একপর্যায়ে ট্রাম্প তাকে জোর করে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিলেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হোয়াইট হাউস কোনও মন্তব্য করেনি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো খবরটি প্রথম প্রকাশ করেছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, এই নারীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এর কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।
কিছু নথিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উসকানিমূলক দাবি থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। রয়টার্স স্বাধীনভাবে ওই নারীর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এফবিআইয়ের নথি থেকে জানা গেছে, সংস্থার কর্মকর্তারা ২০১৯ সালে তার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে লিখেছে, বৃহস্পতিবার যেসব নথি প্রকাশ করা হয়েছে, তা ভুলবশত ‘প্রতিলিপি’ হিসেবে চিহ্নিত করা ১৫টি নথিরই অংশ। ‘প্রতিলিপি’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে এগুলো আগে প্রকাশ করা হয়নি।
বিচার বিভাগ কংগ্রেসের নজরদারির মধ্যে আছে। কারণ, এপস্টেইন তদন্তের নথি প্রকাশ করা তাদের বাধ্যবাধকতা। ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগ করে আসছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ট্রাম্প–সম্পর্কিত কিছু নথি লুকাচ্ছে।
ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ট্রাম্প–সম্পর্কিত কিছু নথি লুকাচ্ছে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একটি কমিটি অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে সমন পাঠিয়েছে, যাতে আইনপ্রণেতারা জানতে পারেন, সরকার কীভাবে এসব নথি পরিচালনা করছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!