গত কয়েক ঘণ্টায় আরও বেশ কিছু বিমান হামলার সতর্কতা এবং মিসাইল অনুপ্রবেশের খবর পাওয়া গিয়েছে। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে নেগেভ মরুভূমির কাছে অবস্থিত বিরশেবা থেকে শুরু করে একেবারে উত্তরেও এসব হামলার খবর মিলেছে।
স্পষ্টতই, ইরানিদের কৌশল হলো ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যতটা সম্ভব চাপে ফেলা। বিশ্লেষকদের মতে, তাদের মূল লক্ষ্য — ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভারসাম্যহীন রাখা, তাদের সবসময় তটস্থ করে রাখা এবং তাদের হাতে থাকা মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের (মাঝ আকাশে মিসাইল ধ্বংস করার সরঞ্জাম) মজুত যতটা সম্ভব নিঃশেষ করা।
একইসঙ্গে, ইরান গোটা বিশ্বকে এটাও দেখাতে চাইছে যে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং ক্রুজ মিসাইলের এক সপ্তাহের টানা ধ্বংসযজ্ঞের পরও, কেবল ইসরায়েলের ওপরই নয়, বরং পুরো বৃহত্তর অঞ্চলজুড়ে এ ধরনের হামলা চালানোর সক্ষমতা এখনও ইরানের রয়েছে।
এদিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে 'এম্পটি কোয়ার্টার' মরুভূমি এলাকায় শায়বাহ তেলক্ষেত্রের দিকে উড়ে যাওয়ার সময় চারটি ড্রোন মাঝ আকাশেই ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি।
এর আগে, মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে তাদের বাহিনী 'প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটি' লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকে দিয়ে ধ্বংস করেছে।
সূত্র : আল জাজিরা
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!