ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা বিরশেবা, গাজা সীমান্তবর্তী এলাকা এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টি শনাক্ত করেছে। সামরিক বাহিনী আরও জানায়, ইরান থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে এবং এই হুমকি নস্যাৎ করতে (ইন্টারসেপ্ট করতে) তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। তবে এই হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সামরিক বাহিনীর মতে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। সামরিক বাহিনী আরও জানায়, "প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।" জেরুজালেম, দক্ষিণ নেগেভ এবং ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অংশ জুড়েও সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে।
স্থানীয়দের মতে, ইসরায়েল দফায় দফায় ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার (মিসাইল ব্যারেজ) মধ্যে রয়েছে। জর্ডানে অনেক দূর থেকে ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ধেয়ে আসা ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকানোর চেষ্টার ভারী বিস্ফোরণের শব্দ (দুম দাম শব্দ) শোনা যাচ্ছিল।
জানা গেছে যে, এবারের লক্ষ্যবস্তুগুলো ছিল ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে। আর এটি হলো রাতের বেলা চালানো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বিতীয় দফার হামলা। কয়েক ঘণ্টা আগেও একই ধরনের হামলা চালানো হয়েছিল। সেসময় তেল আবিবের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল এবং সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠেছিল।
ইসরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে আরও কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম 'চ্যানেল ১২' জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, "পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর" এখন বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল (শেল্টার) থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে আল জাজিরার একজন প্রতিবেদক জানিয়েছেন, জর্ডানের আকাবা শহরের আকাশসীমায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করা হয়েছে।
শহরটি দক্ষিণ ইসরায়েলের ইলাত শহরের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া মাত্রই আমরা বিস্তারিত জানাব। অন্যদিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ শহরের পূর্ব দিকে একটি ড্রোন ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করা হয়েছে। এর আগে, মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ৪টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে এবং 'প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটি' লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও আটকে দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!