পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নেই।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, আজকে ডিপি ওয়ার্ল্ড থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে তারা ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট রিভিউ করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে। যেহেতু ওনারা আমাদের কাছে কিছু সময় চেয়েছে, তাহলে মোস্ট পসিবলি আমাদের হাতে আর দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। ওনারা যেহেতু সময় চেয়েছেন, আমি আমি ধরে নিচ্ছি, যেটা প্রবাবিলিটি আছে—এটা এই সরকার আমল পার হয়ে, ইলেকশন পার হয়ে সামনে গিয়ে হয়তো নেগোসিয়েশনটাকে কনটিনিউ করবে।
তিনি বলেন, ওনাদের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছ থেকে আজকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি এসেছে। এখানে ওনারা যেটা বলেছেন, ওনারা এপ্রিশিয়েট করেছেন যে আমাদের সঙ্গে যে নেগোসিয়েশন চলছে—সেটার প্রগ্রেস নিয়ে ওনারা খুশি হয়েছেন। ওনারা আশা করছেন, এটা ভবিষ্যতে গ্রো করবে এবং ভবিষ্যতে একটা রাইট ডিরেকশনে যাবে। তো এই নেগোসিয়েশন অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর ওনারা যে মেসেজটা আমাদের দিয়েছে, সেটা হচ্ছে— ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট, যেটা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে, ওনারা আমাদের কাছে বেসিক্যালি কিছু সময় চেয়েছেন, এটাকে রিভিউ করার জন্য।
তিনি আরও বলেন, এই প্রজেক্টটা তো ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, গত এক মাসে আমাদের ফাইনাল যে নেগোসিয়েশন, সেই ধাপটা শুরু হয়েছিল, সেই ধাপটা খুব ইন্টেন্সভাবে চলছে। সরকারের বিভিন্ন লেভেলে ওনাদের বিভিন্ন লেভেলের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। নেগোসিয়েশনটা চলমান থাকতে এটা হয়তো সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগবে। আমাদের নৌপরিবহন উপদেষ্টা হয়তো একই কথা বলেছেন আজকে দুপুরবেলা।
এক প্রশ্নের জবাবে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, এই সরকারের আমলে সাইন হচ্ছে না। আমার মনে হয় এটা ফেয়ার অ্যামাউন্ট অব সার্টেনটি নিয়ে বলা যায়। কারণ আর দুটি কার্যদিবস আছে। এই দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওনারা ফেরত আসবেন, তারপরে আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে গিয়ে এটাকে অ্যাপ্রুভ করিয়ে তারপরে সাইন করবো। এটা আমাদের নিজেদের কিছু প্রসেস স্টেপ আছে। যদি হঠাৎ করে ফেরত চলেও আসেন, আমার ধারণা প্রসেসগুলো কমপ্লিট করা খুব ডিফিকাল্ট হবে। আর চুক্তি করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ নির্ধারিত ছিল না।
তিনি বলেন, অনেক কনফিউশন এবং অনেক ধরনের ভুল তথ্য এলে এ ব্যাপারে আছে। সেটা হচ্ছে, এটা একটা বাইল্যাটারাল নেগোসিয়েশন। দ্বিপাক্ষিক নেগোসিয়েশনটা ক্লাসিক টেন্ডারিং প্রসেসের মতো না। সুতরাং, এই দ্বিপাক্ষিক নেগোসিয়েশনটা কতদিন ধরে চলবে? এক্সাক্টলি এবং কখন গিয়ে দুই পক্ষ আসলে এগ্রি করবে, একটা কনসেশন এগ্রিমেন্টে। এটা কারও পক্ষে বলা খুব কঠিন। এখানে তো চাপে পড়ে কেউ কিছু সাইন করতে আসছে না যে আমাদের হাতে আর একদিন সময় আছে, আমাদের আজকেই করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জাতীয় স্বার্থটাকে উপেক্ষা করে করবো—এ রকম কোনও কথা কখনও কারও চিন্তা করার কারণ নেই। ১ তারিখে সাইন করার যে ডেটটা ছিল, এটা একটা গুজব। আমরা কখনোই অফিসিয়ালি মনে হয় বলিনি—যখন নেগোসিয়েশন কমপ্লিট হবে, তখন আপনি একটা সাইনিং ডেট ঘোষণা করতে পারবেন। নেগোসিয়েশন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাইনিং ডেট ঘোষণা করার আসলে কোনও লজিক নেই।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!