নির্বাচন
নির্বাচনী সহিংসতা।   ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে গত ১১ ডিসেম্বর এর পর থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৩১৭ টি  সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মোট ৬০৩ জন আহত এবং নিহত হয়েছেন পাঁচ জন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গণি রোডে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স‌‌‌ মিডিয়া সেন্টারে 'জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি' সম্পর্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।

আইজিপি বলেন, একটি প্রাণহানির ঘটনাও দুর্ভাগ্যজনক, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি একটা মৃত্যুও যেন না হয়।

নির্বাচনকেন্দ্রীক পাঁচজন নিহতের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি ও শেরপুরের জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের কথা উল্লেখ করেন আইজিপি। এছাড়া নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে তিনজন নিহতের কথা জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। এর বাইরে অন্য নিহতের ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রীক না বলে জানান আইজিপি।

সংবাদ সম্মেলনে থানা থেকে লুট হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্রের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইজিপি বলেন, যেকোনো অস্ত্র থ্রেট। এর বাইরে বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। সেজন্য মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করে। এর প্রেক্ষিতে বৈধ ২৭ হাজার ৯৯৫টি অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে যেন ভোট গ্রহণ হয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, এবার নির্বাচনে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।  

নিরাপত্তা ব্যবস্থা তিন ধরনের হবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, এবার নিরাপত্তার রক্ষার্থে প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৯০ ভাগ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এছাড়া পুলিশ সুপাররা ড্রোন ব্যবহার করা হবে।