নিজ বিভাগের অফিস কক্ষে কর্মচারীর হাতে প্রাণ হারানো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় একদিনের শোক ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত জরুরি নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, ৪ মার্চ বুধবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নিজ অফিস কক্ষে সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। শোকসূচক হিসেবে আগামী শনিবার (৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে কালো ব্যাজ ধারণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া নিহত শিক্ষিকার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ বাদ জুম্মা কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের সময় কর্মচারী ফজলুর রহমান সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়ার গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। শিক্ষিকার চিৎকারে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসক আসমা সাদিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন – কর্মচারী ফজলুর রহমান, সাবেক উপ রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। ফজলুর রহমান বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, তবে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কুষ্টিয়া শহরের পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আসমা সাদিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয় এবং তাকে পৌর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চার সন্তানের জননী ছিলেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!