হাসিনা, মির্জা ফখরুল
গণভবনে সংলাপের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১৮ সালের ৮ নভেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনী সংলাপে বসে ১৪ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।   ফাইল ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এমনিতেই তিনি একজন স্মার্ট রাজনীতিবিদ। বলেনও চমৎকার। হাসিনা আমলে তিনি কার্যত বিএনপির শীর্ষ নেতা ছিলেন। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কারাভোগ করেছেন। যদিও সে সময় সব আন্দোলনই ছিল ব্যর্থ।

ইদানীং অবশ্য বারবারই বিতর্ক তৈরি করছেন মির্জা আলমগীর। সম্ভবত বয়সের ভারে ন্যুব্জ। সর্বশেষ নির্বাচনী এলাকায় তাঁর দেওয়া একটি বক্তব্য বিস্ময় তৈরি করেছে। মির্জা ফখরুল বলেন, “আগে ছিল নৌকা আর ধানের শীষ। ধানের শীষ আর নৌকার মধ্যে হতো। এবার নৌকা তো নাই। নৌকার যিনি কাণ্ডারি, আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা, তিনি আপনাদের ফেলে ভারত চলে গেছেন। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছেন। আর আমাদের বিপদে ফেলে দিয়ে গেছেন, তাই না? থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলতো, তাই তো?”

ফখরুলের এই বক্তব্য পর্যবেক্ষকদের মধ্যে বিস্ময় তৈরি করেছে। তাহলে কি তিনি সত্যিই মনে করেন, শেখ হাসিনা ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলে না? পতিত স্বৈরশাসকের জন্য তাঁর এত আবেগ! নাকি এসব আওয়ামী লীগের ভোট টানার কৌশল?

জামায়াতের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনেরও অবশ্য প্রশংসা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেন, “ও ভালো ছেলে। আমরা এমপি ছিলাম, মন্ত্রী ছিলাম। সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। ওর বয়স কম। সামনের দিকে ইনশাআল্লাহ ভালো করতে পারবে।”

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতাদের মামলা প্রত্যাহার নিয়ে বক্তব্য দিয়েও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। যদিও পরে তিনি এর ব্যাখ্যা দেন। ভিডিও অবশ্য তাঁর ব্যাখ্যার সমর্থন করে না। ভারতের এই সময় পত্রিকাও মির্জা আলমগীরের একটি বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে। পরে বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, তিনি কোনো সাক্ষাৎকার দেননি।

এমকে/আরটিএনএন