নির্বাচনে অনিয়ম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।   ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শতাধিক সহিংস ঘটনা ও হামলা হয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে নারীদের ওপরও হামলা হয়েছে। ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু হলেও, গণনায় কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ টি আসনে অব্যবস্থাপনা, জালিয়াতি, কারচুপির প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে। এসব আসনের ফল পুনঃগণনার জন্য এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এসব বলেছেন জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া কমিটির প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। 

 শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। 

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, অনেক আসনে ফল প্রকাশ বিলম্ব করা হয়েছে। ফল পাল্টাতে কাগজে ঘষামাজা করা হয়েছে। এসব কারচুপির বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেটা গ্রহণ করবো। 

তিনি বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, মতভিন্নতা থাকবে,  যে যার রাজনীতি করবে। কিন্তু প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, সন্ত্রাস, ঘরবাড়ি-দোকানপাট ভাংচুরের মত অগণতান্ত্রিক আচরণ মানা যায় না।

সংবাদ সম্মেলনে দলটির আরেক স হকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, ১ থেকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারা আসনগুলোয় জালিয়াতি, কারচুপির নানা লক্ষণ আছে। কিন্তু নির্ব াচন কমিশন এরই মধ্যে গেজেট প্রকাশ করেছে যা বিস্ময়কর। এখন আমরা গেজেটের আলোকে শপথ না দেওয়ার জন্য আবেদন করবো। ফলাফল পুনঃগণনা না করলে আমরা আদালতে যাব।

ঢাকা-৬ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নানঅভিযোগ করেন, পোলিং এজেন্টের নাম ছাড়া অনেক কেন্দ্রের ফলাফল জালিয়াতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। অনেক ভুয়া পোলিং এজেন্টের নাম ও স্বাক্ষর দেয়া হয়েছে। কিছু পেন্সিল দিয়েও লেখা হয়েছে। আমি পুনঃগণনা চাই। না হলে সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও আসনের অনিয়মের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলেও এসময় জানান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।