চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটাররা ইতিহাস গড়েছে। ওমানের বিপক্ষে নেমে ৫ উইকেটে ২৩৫ রান সংগ্রহ করে তারা, যা এই সংস্করণের তাদের সর্বোচ্চ স্কোর এবং দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস হিসাবেও রেকর্ডে উঠে গেছে।
আইরিশ ব্যাটিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন লোরকান টাকার। ৫১ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থেকে ১৮৪ স্ট্রাইকরেটে তার ইনিংসটি দলকে শক্তিশালী স্কোর এনে দিয়েছে। ১০টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে তার ইনিংস ছিল দলের ব্যাটিং আক্রমণের মূল চালিকা শক্তি।
টাকার এর আগেও ২০২৩ সালের জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৫১ বলে ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। এবারের ইনিংস তাকে আরও একবার সেঞ্চুরি করা থেকে সামান্য দূরে নিয়ে গেছে।
এছাড়া গ্যারেথ ডেলানির ৩০ বলে ৫৬ রান, জর্জ ডকরেল ৩৮৮ স্ট্রাইকরেটে ৫ ছক্কায় ৯ বলে ৩৫ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। দলীয় এই শক্তিশালী ইনিংস আয়ারল্যান্ডকে উচ্চ আত্মবিশ্বাস এবং বড় লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করেছে।
জবাবে নেমে ওমানের ব্যাটাররা মাত্র ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়। তৃতীয় উইকেটে ৭৩ রান যোগ করেছিলেন আমির কলিম ও হাম্মাদ মির্জা, কিন্তু তার পর ব্যাটিং ভেঙে যায়।
আমির কলিম: ৫ চার ও ২ ছক্কায় ২৯ বলে করেন ২৯ রান। হাম্মাদ মির্জার ব্যাট থেকে আসে ৪৬ রান। বাকি ব্যাটাররা তেমন অবদান রাখতে পারেনি।
আয়ারল্যান্ডের জশুয়া লিটল ১৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট, ব্যারি ম্যাকার্থি ও ম্যাথু হামফ্রিস ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
এই জয় আয়ারল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম জয়। স্কোরের বিচারে এটি তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়। দলীয় দাপট, শক্তিশালী ব্যাটিং এবং কার্যকর বোলিং মিলিয়ে আয়ারল্যান্ডের পারফরম্যান্স বিশ্বকাপের এই সংস্করণে নজরকাড়া।
লোরকান টাকার কাছে যদিও সেঞ্চুরি হয়নি, তার ইনিংস এবং দলের জয়ে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাস ও দাপট দেখিয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!