আগামীকাল রোববার (১ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর, এশিয়ান কাপ। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে হোস্টরা ফিলিপাইনের সঙ্গে। ১২ দলের এই টুর্নামেন্টে প্রথমবার অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, যা দেশটির নারী ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
বাংলাদেশের মিশন শুরু হচ্ছে ৩ মার্চ। ৫১ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল চীনকে গ্রুপ পর্বে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়ায় শুরু থেকেই লাল-সবুজের ফুটবলারদের জন্য চাপ এবং চ্যালেঞ্জ দুটোই থাকবে। এছাড়াও গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া এবং উজবেকিস্তান, যারা লাল-সবুজের দলের সামনে সহজ পরীক্ষা হবে না।
এশিয়ার এই মর্যাদাপূর্ণ আসরে লাল-সবুজের দলকে দেখা যাবে নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি। আধুনিক ফুটবলে নিয়মিত ব্যবহৃত ভিএআর প্রযুক্তি এশিয়ান কাপের ম্যাচগুলোতে থাকলেও বাংলাদেশি নারী ফুটবলারদের কাছে এটি নতুন। আন্তর্জাতিক ম্যাচের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এখন তারা মাঠে নামবে এশিয়ার শক্তিশালী পাওয়ারহাউজ দলগুলোর বিপক্ষে।
পার্থ শহর থেকে সিডনি ও গোল্ডকোস্টে বইছে উৎসবের আমেজ। শহরের প্রতিটি স্টেডিয়াম হয়ে উঠেছে ফুটবল উৎসবের কেন্দ্র। বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য এই প্রথমবারের এশিয়ান কাপ অভিজ্ঞতা, তাই সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে লাল-সবুজের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হবে।
দলটির ওপর প্রত্যাশার চাপ তুলনামূলক কম। কোচ ও খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন, হারার ভয় নেই, বরং অর্জনের সুযোগ বেশি। অভিজ্ঞতা, দলগত সমন্বয় এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়ার সবচেয়ে বড় নারী ফুটবল আসরে নামবে।
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে শক্তিশালী চীন, এরপর খেলবে উত্তর কোরিয়া। শেষ ম্যাচে লাল-সবুজের দল হাল্কা প্রতিপক্ষ মনে হলেও চ্যালেঞ্জের দিক থেকে কম নয়, উজবেকিস্তানের সঙ্গে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
এই এশিয়ান কাপ শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য অভিজ্ঞতার নতুন অধ্যায়। মাঠে নামবে আফঈদা, ঋতুপর্ণা ও দলের অন্য ফুটবলাররা তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট: শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দেখানো এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে নাম লেখানো।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!