২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে শক্তিশালী দলগুলোর জন্য কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিল আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। পরের বছর টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালেও জায়গা করে নেয় তারা। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অনেকেই আফগানিস্তানকে এশিয়ার দ্বিতীয় পরাশক্তি বলেও আখ্যা দেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চিত্রটা পাল্টে গেছে। এশিয়া কাপের পর চলমান টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে।
দুটি টুর্নামেন্টই ছিল টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে—যেখানে আফগানদের তুলনামূলক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী ধরা হচ্ছিল। এই সংস্করণে নেতৃত্বে ছিলেন রশিদ খান। তবে বিশ্বকাপ শেষে তার অধিনায়কত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। কোচিং স্টাফে বড় পরিবর্তন আনার পর এবার নেতৃত্বেও বদল আসতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।
ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসিবির প্রধান নির্বাহী নাসিব খান বলেন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দলে সংস্কার আনা প্রয়োজন। তিনি জানান, প্রধান কোচ হিসেবে রিচার্ড পাইবাস, ব্যাটিং কোচ হিসেবে টবি রেডফোর্ড এবং ট্রেইনার বদলানো হয়েছে। দলেও কিছু সমন্বয় আনা হবে। যদিও অধিনায়ক পরিবর্তনের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে সাবেক ইংল্যান্ড তারকা জনাথন ট্রটর অধীনে আফগান ক্রিকেটে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছিল। রশিদ-নবিদের বড় সাফল্যগুলোও এসেছে তার সময়েই। তবে বিশ্বকাপের আগে বোর্ডের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তাকে বিদায় জানানো হয় এবং তার জায়গায় দায়িত্ব নেন পাইবাস।
আগামী মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুবাই ও শারজাহতে সাদা বলের সিরিজ খেলার কথা রয়েছে আফগানিস্তানের। তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতার কারণে সেই সিরিজ অনিশ্চিত। সিরিজ শেষে পাইবাসকে আফগানিস্তানে এনে ২০২৭ ও ২০২৮ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সাজাতে চায় বোর্ড। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে নতুন প্রতিভা তুলে এনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রস্তুত করার দিকেও জোর দেওয়া হবে।
এদিকে জুনে ভারতের মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে আফগানিস্তানের। তার আগে শ্রীলঙ্কা সিরিজ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে দুবাইয়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোতে চায় এসিবি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!