গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মামলা প্রত্যাহার করে না নেয়ায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মারধরে নূপুর খাতুন (২৭) নামে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর গর্ভপাত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের সোনাতলা শাখইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
নূপুর উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের উত্তর ছয়ঘড়িয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। অভিযুক্তরা হলেন- গৃহবধূর স্বামী আবু সাঈদ (৩৮), ননদ সাহেরা বেগম (৪০), শ্বশুর মোস্তাফিজুর রহমান সাহেব মিয়া (৬২) ও শাশুড়ি জাহানারা বেগম আলেমা (৫৭)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন নূপুর খাতুন; যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার পর তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি শ্বশুরবাড়ির লোকজন আপস-মীমাংসার কথা বলে তাকে স্বামীর বাড়িতে ডেকে নেন। পরে সন্ধ্যার দিকে তাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়া হয়। সময় চাইলে তিনি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দ্বারা মারধরের শিকার হন।
এতে নূপুর গুরুতর আহত হন এবং একপর্যায়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ও স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে তার গর্ভপাত হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!