যশোরের কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি পরিবারের জমি দখল, চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কেশবপুর শহরের ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায় ভুক্তভোগী মোকায়েম গাজীর বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোকায়েম গাজীর ছেলে মামুন গাজী। তিনি অভিযোগ করেন, কেশবপুর সরকারি হাসপাতালের পশ্চিম পাশে তাদের কেনা ৬ শতক জমির ওপর ওই নেতাদের কুনজর পড়ে।
স্থানীয় পলাশ নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাদের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে জমি দখলের হুমকি দেওয়া হয়। নিরুপায় হয়ে পরিবারটি ধারদেনা করে ৩০ হাজার টাকা দিলেও বাকি টাকার জন্য ১ মার্চ সকালে ১৫-১৬ জন যুবক নিয়ে অভিযুক্তরা জমিটি জোরপূর্বক দখল করে নেয়।
মামুন গাজী আরও জানান, জমি দখলের প্রতিবাদ করায় তাকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে তার হাতে ৮টি সেলাই লেগেছে।
এছাড়াও অভিযুক্তরা তাদের এক গাড়ি বালু লুট করে নিয়ে গেছে এবং জমিতে খুঁটি গেড়ে দিয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, জনৈক নূর ইসলামের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে এই দখল কাণ্ড চালানো হয়েছে। বর্তমানে পুরো পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোকায়েম গাজী ও তার স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে এবং এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদ। তিনি মুঠোফোনে সুবর্ণভূমিকে জানান, এই ধরনের কোনো ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই। একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!