জেমস ক্যামেরনের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ভিত্তিক ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সাড়া ফেলেছে সারাবিশ্বে। এরই মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সীমা অতিক্রম করেছে সিনেমাটি।
ডিজনি স্টুডিওর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বব্যাপী টিকিট বিক্রি থেকে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৩ বিলিয়ন ডলার।
কমস্কোর মার্কেটপ্লেস ট্রেন্ডের প্রধান পল ডারগারাবিয়েডিয়ান বলেন, ‘এই সিনেমাগুলো সবসময় দর্শকদের সিনেমা হলে টানে এবং দৃষ্টিনন্দন থ্রিডি সিনেমাগুলো দেখতে হলে থিয়েটারই একমাত্র উপযুক্ত জায়গা।’
হলিউড রিপোর্টার জানায়, নতুন বছরের শুরু থেকেই প্রেক্ষাগৃহে ব্যবসা বেড়েছে অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশের। প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত সিনেমাটি ৩ জানুয়ারি বক্স অফিসে এক বিলিয়নের মাইলফলক অতিক্রম করেছে ।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রথম সিনেমা অ্যাভাটার মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। বিশ্বব্যাপী ২.৯ বিলিয়ন ডলার টিকিট বিক্রি করে সেই সিনেমা। এটি মুদ্রার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা হিসেবে ইতিহাস গড়ে।
যদিও মূল্যস্ফীতি ও দশকের গড় টিকিট মূল্যের হিসাব করলে ১৯৩৯ সালের ক্লাসিক ছবি ‘গোন উইথ দ্য উইন্ড’ এখনও শীর্ষে।
১৩ বছর পর ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিশ্বব্যাপী ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে। এটি সেসময় শ্রেষ্ঠ ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের জন্য অস্কারও জিতেছিল।
সর্বশেষ ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তি পেয়েছে গত ডিসেম্বরে । এটি এরইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিকভাবে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে বলে জানায় ডিজনি।
অ্যাভাটারের তৃতীয় পর্বে নতুন অনেক কিছু যুক্ত করেছেন জেমস ক্যামেরন। এ সিনেমাতে পরিচালক এনেছেন নতুন গোষ্ঠী, নতুন চরিত্র। ভিলেন হিসেবে দেখা যাবে ভারাং নামের একটি চরিত্রকে। এ সিনেমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় সংযোজন বলা হচ্ছে এ চরিত্রকে। ভারাং হলো অ্যাশ পিপল গোত্রের নেত্রী, আগ্নেয়গিরিতে যাদের বসবাস।
ক্যামেরনের প্রথম বিলিয়ন-ডলার ব্লকবাস্টার ছিল ‘টাইটানিক’। সেটি ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে ছবিটি। আজও এই সিনেমা হলিউডের সেরা ছবির একটি হিসেবে স্বীকৃত।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!