ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিশান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিশান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।   ছবি: সংগৃহীত

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগে করা মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকালে শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার বিষয়ে মেহজাবীন ও আলিশানের জবাব দাখিলের জন্য আজ (১২ জানুয়ারি) দিন ধার্য ছিল। জবাব দাখিলের পর শুনানি নিয়ে তাঁদের মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত। 

সকাল ১০টার দিকে আদালতে আসেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। বেলা ১১টার দিকে তাঁরা এজলাসে ওঠেন। মামলার শুনানিতে আদালতকে অভিনেত্রী বলেন, মামলার বাদীকে তিনি কখনো দেখেননি, চেনেন না। তাঁকে হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ।

মামলাটির বাদী ছিলেন আমিরুল ইসলাম। তিনি ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭ (৩) ধারায় মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদীর (আমিরুল) সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় মেহজাবীনের। সেই সূত্রে মেহজাবীনের নতুন পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে যুক্ত হতে ২৭ লাখ টাকা দেন তিনি। এরপর মেহজাবীন ও তাঁর ভাই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেননি। ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে ‘আজ দেব, কাল দেব’ বলে আসামিরা সময় পার করতে থাকেন।

২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে মেহজাবীন ও আলিশান ১৬ মার্চ (২০২৫ সাল) বাদীকে হাতিরঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে যেতে বলেন। সেখানে গেলে মেহজাবীন, তাঁর ভাইসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজন তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। তখন বাদী বিষয়টি সমাধানের জন্য ভাটারা থানায় যান। থানা-পুলিশ তাঁকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর তিনি আদালতে মামলা করেন।

এমআর/আরটিএনএন