দেশের ব্যাংকিং খাতে বছরের শেষ প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ কমেছে। তিন মাসের ব্যবধানে এ ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। একই বছরের সেপ্টেম্বর শেষে এ অঙ্ক ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ফলে এক প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের হার ৩৫.৭৩ শতাংশ থেকে কমে ৩০.৬০ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ কমেছে ৫.১৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।
তবে বছরভিত্তিক চিত্র ভিন্ন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের হার ছিল ২০.২০ শতাংশ। সে তুলনায় এক বছরে হার বেড়েছে ১০.৪০ শতাংশীয় পয়েন্ট।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তিন মাস আগে যা ছিল ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৩৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
প্রভিশন ও স্থগিত সুদ সমন্বয়ের পর নিট খেলাপি ঋণের হারও কমেছে। সেপ্টেম্বর শেষে যা ছিল ২৬.৪০ শতাংশ, ডিসেম্বর শেষে তা নেমে এসেছে ১৩.৯৩ শতাংশে। এক প্রান্তিকে কমেছে ১২.৪৭ শতাংশীয় পয়েন্ট।
ব্যাংকভেদে খেলাপি ঋণের চিত্রে পার্থক্য রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি, ৪৪.৪৪ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকে এ হার ৩৯.৭৪ শতাংশ। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে ২৮.২৫ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকে সবচেয়ে কম, ৪.৫১ শতাংশ।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!