সর্দি-কাশি প্রতিরোধে তুলসী পাতার সহজ ও প্রাকৃতিক উপায়।
সর্দি-কাশি প্রতিরোধে তুলসী পাতার সহজ ও প্রাকৃতিক উপায়।   ছবি: সংগৃহীত

শীতের সময়ে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, নাক বন্ধ ও হালকা জ্বরের মতো সমস্যা বেড়ে যায়। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসজনিত সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। এই সময় তুলসী পাতা প্রাকৃতিক ভেষজ হিসেবে সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে কাজ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

তুলসী পাতায় থাকা ইউজেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন-সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। শীতকালে নিয়মিত তুলসী পাতা গ্রহণ করলে ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশি ও অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধে উপকার পাওয়া যায়।

কাশি ও গলা ব্যথা কমাতে সহায়ক

তুলসী পাতার রস বা তুলসী চা কাশি কমাতে এবং গলার জ্বালা ও খুসখুসে ভাব প্রশমনে কার্যকর। এতে থাকা প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক উপাদান শ্বাসনালীর প্রদাহ কমিয়ে আরাম দেয়।

নাক বন্ধ ও শ্বাসকষ্টে উপকারি

শীতে নাক বন্ধ হওয়া বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ার সমস্যা সাধারণ। তুলসী পাতার উষ্ণ চা নাকের ভেতরের জমে থাকা শ্লেষ্মা কমাতে সাহায্য করে, ফলে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়।

জ্বর ও শরীর ব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখে

হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা ও ক্লান্তি দূর করতে তুলসী পাতার ক্বাথ কার্যকর। এটি শরীরকে উষ্ণ রাখে এবং ঘাম বের করে টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

তুলসী ব্যবহার করার কিছু সহজ উপায়
• তুলসী চা: কয়েকটি তাজা তুলসী পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করুন।
• তুলসী পাতার রস: সকালে খালি পেটে ১–২ চা চামচ তুলসী পাতার রস গ্রহণ করা উপকারী।
• তুলসী ও আদা: তুলসী পাতার সঙ্গে আদা ফুটিয়ে পান করলে সর্দি-কাশিতে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।

বিশেষ সতর্কতা: দীর্ঘদিন ধরে সর্দি-কাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে শুধুমাত্র ঘরোয়া ভেষজ চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সিমু/আরটিএনএন