রোজা শুধু ধর্মীয় অনুশাসন নয়, এটি শরীর ও মনের শুদ্ধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। তবে যাদের লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য দীর্ঘ সময় খাবার ও পানি না খেয়ে থাকা কিছুটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি ও জীবনযাপনের নিয়ম মেনে চললে নিরাপদে রোজা রাখা সম্ভব।
লো প্রেসার থাকলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, ক্লান্তি বা অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। রোজার সময় দীর্ঘক্ষণ পানি ও খাবার না নেওয়ার কারণে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
সেহরিতে এমন খাবার বেছে নিন যা শক্তি দেয় ও শরীরে পানি ধরে রাখে। ভাত বা রুটি, ডাল, ডিম, দই, সবজি ও ফল সেহরির জন্য ভালো। পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করা জরুরি। সামান্য লবণ রাখা যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলা উত্তম।
রোজা ভাঙার সময় খেজুর ও পানি দিয়ে শুরু করুন। এরপর হালকা স্যুপ, ফল বা শরবত খান এবং ধীরে ধীরে মূল খাবার গ্রহণ করুন। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার কম খাওয়া ভালো, কারণ এগুলো দ্রুত দুর্বলতা বাড়াতে পারে।
লো প্রেসার রোগীদের জন্য ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি। ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ওরাল স্যালাইন জাতীয় পানীয় শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
রোজার সময় হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়া বা দীর্ঘ সময় রোদে থাকা এড়িয়ে চলুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, ভারী কাজ বা ব্যায়াম কম করুন। প্রয়োজনে দুপুরে অল্প সময় ঘুম শরীরকে সতেজ রাখে।
যদি মাথা ঘোরা, অজ্ঞান ভাব, তীব্র দুর্বলতা বা বুক ধড়ফড় অনুভূত হয়, তখন দেরি না করে রোজা ভেঙে পানি বা খাবার গ্রহণ করুন। স্বাস্থ্যই সর্বাগ্রে।
যাদের দীর্ঘদিন ধরে লো প্রেসারের সমস্যা রয়েছে বা নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, তাদের রোজা শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সচেতনতা ও নিয়ম মানলেই লো প্রেসার থাকলেও রোজা রাখা সম্ভব। শরীরের সংকেত বুঝে চলা ও প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই মূল বিষয়।
সিমু/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!