ভ্রমণকালে অনেকেরই বমি বমি ভাব বা অস্বস্তি দেখা দেয়। কেউ কেউ যাত্রা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অসুবিধা অনুভব করেন, আবার কেউ দীর্ঘ সময়ের যাত্রার পর এই সমস্যায় ভোগেন। পাহাড়ি বা উঁচু-নিচু সড়ক, যানবাহনের ঝাঁকুনি এবং গাড়ির ভেতরের দুর্গন্ধ সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভারতের দিল্লির স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মহসিন ওয়ালী জানান, আমাদের মস্তিষ্কে ফ্লুইড থাকে। ভ্রমণের সময় এই ফ্লুইড নড়াচড়া করলে তা কম্পন তৈরি করে যা গলার মধ্য দিয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এর ফলে মাথা ঘোরা, অস্বস্তি এবং বমি বমি ভাব দেখা দেয়। এই উপসর্গগুলোকে মোশন সিকনেস বলা হয়।
ভ্রমণে বমি বমি ভাব কমানোর উপায়
১. ভারী খাবার এড়ানো: ভ্রমণের আগে অনেক খাওয়া ঠিক নয়। হালকা খাবারই গ্রহণ করুন।
২. খালি পেটে ভ্রমণ করবেন না: হালকা স্ন্যাক্স বা খাবার সঙ্গে রাখুন।
৩. প্রয়োজনে ওষুধ ব্যবহার: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বমি প্রতিরোধী ওষুধ নিতে পারেন।
৪. চলন্ত গাড়িতে ঘুমাবেন না: ঘুমানো অবস্থায় ভারসাম্য ঠিক থাকে না এবং বমির আশঙ্কা বাড়ে।
৫. বমি বমি লাগলে থামুন: সড়কের পাশে যানবাহন থামান, কিছু সময় বিশ্রাম নিন এবং তারপর যাত্রা পুনরায় শুরু করুন।
৬. অতিরিক্ত বমি হলে চিকিৎসকের কাছে যান।
৭. মনোযোগে ব্যাঘাত কমান: বই পড়া বা মোবাইল ফোন ব্যবহার কমান, কারণ এগুলো মোশন সিকনেস বাড়াতে পারে।
৮. শরীর স্থিতিশীল রাখুন: মাথা, কাঁধ, কোমর ও হাঁটুর নড়াচড়া কমান।
৯. সামনের আসনে বসুন বা গাড়ি চালান: সামনে দেখার সঙ্গে সঙ্গে ভারসাম্য বজায় থাকে।
১০. নিকোটিন এড়ান: ধূমপান করলে বমি বমি ভাব বেড়ে যেতে পারে।
এছাড়া, ভ্রমণের সময় হালকা ধাঁচের আনন্দদায়ক গান শুনলে অস্বস্তি কমে যায় এবং যাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হয়।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
সিমু/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!