ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে । বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোঁড়া হচ্ছে গুলি। গেল ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
ইন্টারনেট পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রেখে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-নিপীড়ন চলছে অভিযোগ করে সংবাদমাধ্যমটি। যেসব তথ্য পাওয়া গেছে সেগুলো বিশ্লেষণ করে বলা যায় বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের মাধ্যমে বেশ কয়েকজন হত্যাকাণ্ডের ভিডিও পাঠাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
দক্ষিণ তেহরানের কাহরিজাক থেকে পাঠানো একটি ভিডিওতে বেশ কয়েকজনের মরদেহ দেখতে পাওয়া গেছে। তেহরানের বিভিন্ন অংশ এবং কারাজের ফাদরিসে সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হচ্ছে। ফারদিস, কারাজ এবং পূর্ব তেহরানের আলঘাদির হাসপাতাল থেকে পাঠানো ভিডিওতেও মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শহরেই কঠোর দমন চলছে না, যেখানেই বিক্ষোভ চলছে সেখানেই গুলি ছোঁড়া হচ্ছে।
বিবিসি ফার্সি জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে রাশতে পোরসিনা হাসপাতালে ৭০টি মরদেহ আনা হয়েছে। মর্গে জায়গা না থাকায় অনেক মরদেহ অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
রাজধানী তেহরানে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা দেশটির সব প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বিবিসি পারসিয়ান অন্তত ২৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে, যাদের মধ্যে ছয়জন শিশু।
বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। একটি মানবাধিকার সংস্থা জানায় নিহত নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা অন্তত ১৪। ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ জনে।
শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় তেহরানে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে যান, যানবাহনে আগুন দেন এবং কারাজ শহরে একটি সরকারি ভবন জ্বালিয়ে দেয়।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!