মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকার শিশু হুজাইফা আফনান ২৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বাদ যোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা থেকে হুজাইফা আফনানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। প্রিয় সন্তানের নিথর দেহ দেখে বিলাপ শুরু করেন স্বজনরা। আর পুরো এলাকা বাবা-মায়ের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে । সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি।
হুজাইফার বাবা জসিম উদ্দিন বলেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মেয়েকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা করেছি। ভেবেছিলাম সে সুস্থ হয়ে আবার আমার বুকে ফিরবে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। এভাবে একজন নিষ্পাপ সন্তানের মৃত্যু আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।
স্থানীয় এক বাসিন্দা রবিউল আলম বলেন, হুজাইফা শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো তেচ্ছিব্রিজ এলাকার সন্তান ছিল। সীমান্তে গুলিবর্ষণে এভাবে সাধারণ মানুষ মারা যাওয়া খুবই দুঃখজনক।
আরেক বাসিন্দা ইলিয়াস হোসেন বলেন, সীমান্ত এলাকায় আতঙ্কে দিন কাটাতে হচ্ছে। আমরা নিরাপত্তা চাই, যেন আর কোনো পরিবারকে এভাবে মরদেহ গ্রহণ করতে না হয়।
১১ জানুয়ারি টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে হুজাইফা আফনান গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম ও পরে ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা ২৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে মারা যায় শিশুটি।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!