অন্তবর্তী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর টোকিওকে সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী যদি কোনো প্রকার বেপরোয়া পদক্ষেপ নেন, তাহলে তার জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত চীন।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার পদত্যাগের পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হন সানায়ে তাকাইচি। নভেম্বরে এক জনসভায় চীনের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, স্বায়ত্বশাসিত তাইওয়ান ভূখণ্ডে চীন যদি কখনও হামলা চায়, তাহলে সামরিক সহায়তা নিয়ে তাইওয়ানের পাশে থাকবে জাপান।
তাকাইচির এই মন্তব্যে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বেইজিং। কিন্তু জাপানের সরকার এ বিষয়ে আর অগ্রসর না হওয়ায় সেখানেই থেমে গিয়েছিল ব্যাপারটি।
৮ ফেব্রুয়ারি জাপানের জাতীয় নির্বাচনে ভূমিধস জয় পান তাকাইচি। এখন তিনি জাপানের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের অপেক্ষায় আছেন। এমন পরিস্থিতিতেই তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানকে ফের সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন।
গেল সোমবার বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদসম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “জাপানের কট্টর ডানপন্থি শক্তি যদি পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণে ভুল করে এবং তাইওয়ান ইস্যুতে বেপরোয়া কোনো পদক্ষেপ নেয়— তাহলে চীন ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যাবে এবং চীন যে কোনো বেপরোয়া পদক্ষেপের সমুচিত জবাব দেবে।”
স্বায়ত্বশাসিত ভূখণ্ড তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র মনে করে। অন্যদিকে চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজ ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে। এ ইস্যুতে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ চীনের পক্ষে।
বেইজিংয়ের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন তাইওয়ানকে বিভিন্ন উপায়ে চাপে রাখে বেইজিং, তবে এখন পর্যন্ত এ দ্বীপ ভূখণ্ডে কোন প্রকার সামরিক আগ্রাসন চালায়নি চীন।
রায়হান/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!