তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।খামেনির এই হত্যাকাণ্ড তেহরান, ইরান এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার মতো অনেক মানুষ যেমন আছেন, তেমনি অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে দেখার মানুষেরও অভাব নেই। তবে দিনশেষে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র এবং ইসলামি বিপ্লবের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ও অবস্থানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। বিপ্লবের আগে এবং পরে—উভয় সময়েই তিনি ছিলেন অত্যন্ত কেন্দ্রীয় এবং প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্ব। বর্তমানে তাঁকে ইসলামি বিপ্লবের ‘শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা ‘ফার্স’ জানিয়েছে, এক হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতি নিহত হয়েছেন। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে খামেনি নিহত হয়েছেন। সেই দাবির পরপরই এই খবরটি সামনে এলো। যদিও ইরানি কর্মকর্তারা প্রথমে ওই দাবিগুলোকে ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটি জানায়, শনিবার ভোরের দিকে নিজের দপ্তরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ খামেনি নিহত হন। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খামেনির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইরান সরকার ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি দেশটিতে সাত দিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!