আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে, তা এখন একটি বড় প্রশ্নের মুখে। নিঃসন্দেহে এটি দেশটির জন্য একটি নতুন অধ্যায়, একটি সম্পূর্ণ নতুন সূচনা। আমরা লক্ষ্য করছি যে, তাঁর চিন্তা ও আদর্শের পথ ধরেই দেশটি এগিয়ে যাবে কি না। অর্থাৎ, সামনে কি খামেনির চেয়েও আরও কঠোর ও বিপ্লবী কোনো ধারা আসবে, নাকি বাস্তববাদী কোনো পথে হাঁটবে ইরান?
এই সব কিছুই নির্ভর করছে ইরানের নীতিনির্ধারক ও রাষ্ট্রযন্ত্র নিজেদের কীভাবে দেখতে চায় তার ওপর। তারা কি খামেনির দেখানো ‘প্রতিরোধের পথ’ অব্যাহত রেখে পুরোপুরি প্রতিরোধের দিকেই এগোবে, নাকি আবার ফিরে আসবে কূটনীতির ধারায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এর আগে গতকাল ইসরায়েল দাবি করে, আলী খামেনির পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও আইআরজিসি'র প্রধানও তাদের হামলায় নিহত হয়েছে। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌথ হামলায় ইরানে অন্তত ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এদিকে খামেনির নিহতের পর দেশটির নেতৃত্ব কে নিতে যাচ্ছেন সেসব নিয়ে কিছু বলা হয়নি। ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে কে থাকবেন, সাধারণত তা নির্ধারণ করেন দেশটির বিশেষজ্ঞমণ্ডলী বা অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস নামে ৮৮ জন ধর্মীয় নেতার একটি পরিষদ।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!