লেবানন ভূখণ্ডের ভেতরে প্রবেশ করা ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও এই হামলার কথা স্বীকার করেছে এবং তাদের দুজন সেনা আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে লড়াইয়ের নতুন একটি ফ্রন্ট বা রণাঙ্গন তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে রাজধানী বৈরুতেও হামলার পরিধি ক্রমশ বাড়ছে। তবে হিজবুল্লাহ জোর দিয়ে বলেছে যে, তারা তাদের লড়াই চালিয়ে যাবে।
সংঘাত চরম আকার ধারণ করার পর প্রথমবারের মতো টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে হিজবুল্লাহ নেতা এই লড়াইকে ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্টভাবেই আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।
হিজবুল্লাহর বর্তমান কৌশল দেখে মনে হচ্ছে, সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলের দিকে ক্রমাগত মিসাইল, রকেট ও ড্রোন ছুড়ে তারা ইসরায়েলি বাহিনীকে এই যুদ্ধের চরম শিক্ষা দিতে চায়। পাশাপাশি, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর যে কোনো স্থল অভিযানকে তারা যতটা সম্ভব কঠিন ও ব্যয়বহুল করে তুলতে বদ্ধপরিকর।
অন্যদিকে, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে লেবাননের সরকার অত্যন্ত দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। লেবাননের সেনাবাহিনী সীমান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া, সরকার হিজবুল্লাহর সামরিক শাখাকে নিষিদ্ধ করার মতো নজিরবিহীন একটি পদক্ষেপও নিয়েছে। তবে, দেশের ভেতরে অভ্যন্তরীণ সংঘাত বা গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি না নিয়ে লেবানন সরকারের পক্ষে এর চেয়ে বেশি কিছু করা আসলে সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি হামলা বন্ধে মধ্যস্থতা ও হস্তক্ষেপ করার জন্য গতকাল বৈরুতে নিযুক্ত মার্কিন দূতের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট আউন। তবে এ বিষয়ে মার্কিন দূতের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ইসরায়েলের মতো যুক্তরাষ্ট্রও দীর্ঘদিন ধরে হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সমর্পণের (নিরস্ত্রীকরণের) দাবি জানিয়ে আসছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!