মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, মার্কিন বাহিনীর সম্ভাব্য যেকোনো স্থল অভিযানের জবাব দিতে তার দেশ পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন যে, আগামী দিনগুলোতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারে। তবে তেহরানের নেতৃত্বের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে স্থলবাহিনী (গ্রাউন্ড ট্রুপস) মোতায়েন করে কোনো অভিযান চালানো হবে কি না, তা এখনও অস্পষ্ট।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসিকে জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর কথা বিবেচনা করাটা নেহায়েতই ‘সময়ের অপচয়’ হবে। টেলিফোনে এনবিসি-কে ট্রাম্প বলেন, "এটি পুরোপুরি সময়ের অপচয়। তারা সবকিছু হারিয়েছে। তারা তাদের নৌবাহিনী হারিয়েছে। হারানোর মতো যা কিছু ছিল, তার সবই তারা হারিয়েছে।"
ইরানে বিদেশি সেনা মোতায়েন করা হলে তা আক্রমণকারীদের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে যে সতর্কবার্তা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দিয়েছিলেন, সেটিকেও একটি "অর্থহীন মন্তব্য" বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।
এদিকে সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ (আইআরআই) জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইরাক ও বৃহত্তর অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অন্তত ২৭টি সামরিক অভিযান ও হামলা চালিয়েছে।
মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরআই জানায়, ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করে ইরাকে থাকা ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ এসব হামলা চালানো হয়েছে।
তবে দাবি করা এসব হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এছাড়া, বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন স্থানে হামলা চালানো হয়েছে, তা-ও উল্লেখ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, আইআরআই (IRI) হলো এই অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত একটি জোট, যারা একসময় আইএসআইএল (আইএসআইএস বা আইএস)-এর বিরুদ্ধেও লড়াই করেছিল। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের প্রতিবাদে এর আগে চালানো বিভিন্ন হামলার দায়ও স্বীকার করেছিল এই গোষ্ঠীটি।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!