মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে কোন ধরনের চুক্তি হবে না যদি তারা নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে রাজি না হয়। এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি এবং সম্ভাব্য শক্তি সংঘর্ষের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, একজন মহান এবং গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচনের পর, আমরা এবং আমাদের সাহসী মিত্ররা ইরানকে ধ্বংসের প্রান্ত থেকে ফিরিয়ে আনতে ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করব। আমরা দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী, উন্নত এবং বৃহত্তর করে তুলব।
এটি ইঙ্গিত করছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের প্রতি কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে এবং যে কোনও চুক্তি ইরানের পূর্ণ সমর্পণের উপর নির্ভর করবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনা এখনো সীমিত নয়। আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক শক্তি এখনো তিন দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বা শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করেনি।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, কিছু দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে, তবে তিনি এই দেশের নাম প্রকাশ করেননি। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করতে রাজি নই এবং যুদ্ধবিরতিও চাই না। যুক্তরাষ্ট্র পরপর দুইবার আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে, তাই আমরা তাদের বিশ্বাস করতে পারি না।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নির্দেশ করছে যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল সম্পর্ক এখনো অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষের দিকে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা না হলে এই উত্তেজনা আরও তীব্র হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!