ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মার্কিন দূতাবাস ও একটি কূটনৈতিক স্থাপনা পুনরায় লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের উদ্ধৃত নিরাপত্তা সূত্র জানায়, হামলার সময় দূতাবাস এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে এবং নিকটবর্তী স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে একাধিক রকেট এবং একটি বিস্ফোরক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে থাকা একটি মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাকেও অন্তত তিনটি বিস্ফোরক ড্রোন হামলার লক্ষ্য বানানো হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে সি-র্যাম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয় এবং হামলার আংশিক প্রতিহত করা সম্ভব হয়।
এই হামলার পেছনের সঠিক দায় কে বা কারা বহন করছে তা এখনো স্পষ্ট হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
একই দিনে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তারা জানায়, নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা চলছে এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অব্যাহত উত্তেজনার প্রতিফলন এবং অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ করছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের ঘটনার ফলে কূটনৈতিক ও সামরিক স্থাপনায় আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, হামলার উৎস ও দায়ের প্রমাণ দ্রুত পাওয়া না গেলে, এটি নতুন কূটনৈতিক সংকট বা সামরিক উত্তেজনার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। পরিস্থিতি নিরীক্ষণের জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!