২০২৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বিএসএফ’র গুলিবর্ষণ ও সহিংসতা থামেনি। আইন ও সালিশ কেন্দ্র- আসক এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন- এমএসএফ‘র তথ্যমতে, গত এক বছরে সীমান্তে বিএসএফ‘র গুলি ও নির্যাতনে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ভারত সীমান্তে বিএসএফ-এর হাতে মোট ৩৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছে। নিহত ৩৪ জনের মধ্যে ২৪ জনই মারা গেছে বিএসএফ‘র সরাসরি গুলিবর্ষণে। বাকি ১০ জন বিএসএফ‘র হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারান।
একই সময়ে সীমান্তে বিএসএফ‘র গুলিতে ও নির্যাতনে অন্তত ৩৮ জন বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছে এবং ১৪ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃতদের মধ্যে ৪ জনকে পরে ফেরত পাঠায় বিএসএফ। সবচেয়ে বেশি হত্যার ঘটনা ঘটেছে লালমনিরহাট, কুমিল্লা এবং সিলেট সীমান্ত এলাকায়।
বিএসএফ‘র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গরু পাচার বা চোরাচালান ঠেকাতে আত্মরক্ষার্থে তারা গুলি চালিয়েছে। তবে মানবাধিকার কর্মীরা একে 'বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড' এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
বছরের উল্লেখযোগ্য ট্র্যাজেডির মধ্যে ছিল মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে কিশোরী স্বর্ণা দাসকে হত্যা; যার মরদেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
২০২৫ সালের আগস্টে বিজিবি ও বিএসএফ‘র মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে, সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা মানে নি ভারতীয় বাহিনী।
২০২৫ সালের এই ৩৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু দু‘দেশের সম্পর্ক মেরামতের পথে বড় বাঁধা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং আন্তর্জাতিক বিচার দাবি করেছে। ২০২৬ সালে সীমান্তে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শক্তিশালী কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে তারা।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!