মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার।
মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার।   ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সকল নির্বাচনী প্রচারণা ১০ ফেব্রুয়ারী সকাল ৭টায় শেষ হবে। ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার বন্ধ রাখার আইনগত বিধান অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘নির্ধারিত সময়ের পর রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোনো ধরনের সভা, মিছিল, প্রচারপত্র বিতরণ বা গণমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন না।’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল হয়েছে। এবার ৩০০ আসনের পরিবর্তে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে দেশের ৪৯টি জেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে। বাকি জেলাগুলোতেও রবিবারের মধ্যেই ব্যালট পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শেষ হবে।

এ বছর মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে, যেখানে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সর্বাধিক ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে, যেখানে ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। সব মিলিয়ে প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি ২৯১ জন।

ইসির সিনিয়র সচিব আরও জানান, সারাদেশে মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রায়হান/আরটিএনএন