নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘সম্ভাব্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি’ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি শুরুতে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং পরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সূত্রগুলো বলছে, বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান স্পষ্ট করে। ব্রেন্ট বলেন, ওয়াশিংটন নির্দিষ্ট কোনো দলের পক্ষে অবস্থান নেবে না। নির্বাচনে যারাই বিজয়ী হবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য তৈরি রয়েছে বলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রসচিবের কাছে উল্লেখ করেছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় তার মিশন শুরু করেন।
জানা গেছে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয়ের মধ্যে বাণিজ্য, ইমিগ্রেশনসহ নানা প্রসঙ্গ এসেছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানের বিষয়টি মার্কিন রাষ্ট্রদূত, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে আলোচনায় সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিবেশ নিয়ে তৌহিদ হেসেন এবং আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
নির্বাচন ইস্যুতে ব্রেন্ট আশা প্রকাশ করেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হওয়ার। একইসঙ্গে সহিংসতার সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি এ নিয়ে তার ভাবনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই প্রধান নীতি নির্ধারকদের কাছে তুলে ধরেছেন।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা পদক্ষেপ সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের সময় কেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে, সে সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পেয়েছি। এ জন্য স্বরাষ্ট উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তাবিষয়ক বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয় নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!